এ্যাডব লাইটরুম (৪র্থ পর্ব) – ফারহান নাভিদ

ফটোগ্রাফিতে পোস্ট প্রোসেস সমান গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। আপনাদের জন্য আমি চেষ্টা করেছি এ্যাডব লাইটরুমটা সহজ করে আনার। এ্যাডব লাইটরুম ৪র্থ পর্বে দেখানো হয়েছ ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফ প্রসেস করার পদ্ধতি। আশা করি আপনাদের জন্য পোস্ট প্রোসেসিং এখন আরো সহজ হয়ে আসবে।

৪র্থ পর্ব:

এ্যাডব লাইটরুম (৩য় পর্ব) – ফারহান নাভিদ

ফটোগ্রাফিতে পোস্ট প্রোসেস সমান গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। আপনাদের জন্য আমি চেষ্টা করেছি এ্যাডব লাইটরুমটা সহজ করে আনার। এ্যাডব লাইটরুম ৩য় পর্বে দেখানো হয়েছে সিলেক্টিভ কালার করার একটি সহজ পদ্ধতি। আশা করি আপনাদের জন্য পোস্ট প্রোসেসিং এখন আরো সহজ হয়ে আসবে।

৩য় পর্ব ঃ

পিক্সেল বনাম ডিপিআই

– ভাই এক্সজিবিশনে ছবি দিবো। কইলো ৩০০০ পিক্সেল X ২০০০ পিক্সেল ২০০ ডিপিআইয়ে দিতে। ভাই পিক্সেল কি?

আমি কইলাম,
– বাথরুমে যখন বসেন তখন দেখেন টাইলসের মতন চারকোণা বক্স। ওদির মতন দেখতে পিক্সেল। একটা ছবি হইতেছে সেইরকম অনেকগুলো টাইলসের সমষ্টি মানে পিক্সেলের সমষ্টি।

পিক্সেল যত বেশী তত বেশী শার্প ছবি। মানে ছবি যত বড় করবে তত কম ফাটবে।

ডিপিআই মানে হচ্ছে, ডট পার ইঞ্চি। যা প্রিন্টের সময় দরকার হয়। যত বেশী ডট তত ঘন প্রিন্ট।

তবে, ছবির পিক্সেল কম থাকলে যত বেশী ডিপিআই দেওয়া হোক না কেন ছবি অস্পষ্ট মনে হবে। তাই ছবির পিক্সেল স্ট্যান্ডার্ড হওয়া চাই।

এবার অংকে আসি, ছোটবেলায় জ্যামিতির ক্ষেত্রফলের কথা মনে আছে? দৈঘ্য X প্রস্থ = ক্ষেত্রফল। ভার্টিকাল অংশ দৈঘ্য আর হরাইজন্টার অংশ প্রস্থ।

দৈঘ্য X প্রস্থ এর জন্য ১০টা টাইলস নিলাম মানে  আর কি। তাহলে ১০ X ১০ = ১০০ পিক্সেল একটা ছবি পেয়ে গেলাম। এবং সেটার ভিতর যদি প্রিন্ট দেই সেখানে ১০ X ১০ = ১০০ ডট দিতে হবে।

তাহলে, সমীকরণ দাঁড়ালো,
পিক্সেল / ডিপিআই
= ১০০ পিক্সেল/ ১০০ ডিপিআই
= ১ ইঞ্চি।

আমরা পেয়ে গেলাম ১ ইঞ্চির প্রিন্টেড ছবি।

অনেক সময় ক্যামেরার গায়ে লেখা দেখবেন ২০ মেগাপিক্সেল। এর মানে ১ মেগা পিক্সেল হলো ১ মিলিয়ন পিক্সেল মানে ১০ লাখ পিক্সেল। আপনি বের করে ফেলতে পারবেন ৫০০০ পিক্সেল X ৪০০০ পিক্সেল = ২০ মেগাপিক্সেল।

এখানে আমরা ডিপিআই লাগিয়ে দিয়ে প্রয়োজন মতন সাইজ প্রিন্ট দিতে পারবো।

আপনি এখন সহজে বের করতে পারবেন, ৩০০০ পিক্সেল X ২০০০ পিক্সেল ছবিতে ২০০ ডিপিআই দিলে কত সাইজ প্রিন্টেড ছবি বের হবে তা আমি নিচে সমীকরণে মিলিয়ে দিলাম,

৩০০০ পিক্সেল X ২০০০ পিক্সেল / ২০০ ডিপিআই
= ৬০ ইঞ্চি X ৪০ ইঞ্চি ।

আপনার ছবির সাইজ হচ্ছে, ৬০ ইঞ্চি X ৪০ ইঞ্চি।

আশাকরি, পিক্সেল ও প্রিন্ট সাইজের ব্যাপারটা স্পষ্ট হয়ে গেছে।

হ্যাপি ক্লিকিং

এ্যাডব লাইটরুম (২য় পর্ব) – ফারহান নাভিদ

ফটোগ্রাফিতে পোস্ট প্রোসেস সমান গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। আপনাদের জন্য আমি চেষ্টা করেছি এ্যাডব লাইটরুমটা সহজ করে আনার। এ্যাডব লাইটরুম ২য় পর্বে দেখানো হয়েছে এডিটিং এর বেসিক টুল গুলোর ব্যবহার। যেমন ঃ ক্রপ, স্পট রিমুভ, ফিল্টার এবং ব্রাস টুল। আশা করি আপনাদের জন্য পোস্ট প্রোসেসিং এখন আরো সহজ হয়ে আসবে।

২য় পর্ব ঃ

 

যারা ১ম পর্ব দেখেন নাই তাদের জন্য নিচে লিংক দেয়া হলো ঃ

 

#Happyclicking #happysharing #GHschoo

https://www.youtube.com/watch?v=UqZgyhbDniY&t=154s

 

এ্যাডব লাইটরুম (১ম পর্ব) – ফারহান নাভিদ

ফটোগ্রাফিতে পোস্ট প্রোসেস সমান গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। আপনাদের জন্য আমি চেষ্টা করেছি এ্যাডব লাইটরুমটা সহজ করে আনার। টিওটোরিয়াল আকারে বিষয় গুলা ইউটিউবে আপ্লোড করা আছে। আশা করি আপনাদের জন্য পোস্ট প্রোসেসিং এখন আরো সহজ হয়ে আসবে।
#Happyclicking #happysharing

Are you ready Life Around You – 5 GH Photo Fest 2017? Then keep in touch….

Grasshoppers 5th Happy Birthday

ফাঙ্গাস থেকে ক্যামেরা ও লেন্সের সুরক্ষা

অনীক ইসলাম জাকী, সময় নিউজ, ঢাকা।
আমাদের দেশে বর্ষাকালে আদ্রতা বেশী আর শীতকালে ধূলো, দু’টোই ক্যামেরা এবং লেন্সের শত্রু। অতিরিক্ত আদ্রতার কারণে লেন্সে ফাঙ্গাস পড়ে আর ধূলো-বালি জমা হতে পারে সেন্সরে। তাই সব সময়ই ক্যামেরা এবং লেন্সের জন্য বাড়তি কিছু যত্ন প্রয়োজন।

১. ক্যামেরা এবং লেন্স সব সময় শুকনো এবং আলোকিত স্থানে রাখুন। ভেজা / স্যাতস্যাতে এবং অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশ ফাঙ্গাস তৈরীর জন্য উপযুক্ত পরিবেশ।
২. ক্যামেরা এবং লেন্স সব সময়ই ব্যবহার শেষে পরিস্কার করে কোন এয়ার টাইট বক্সে সিলিকা জেল দিয়ে রাখুন। সিলিকা জেল অতিরিক্ত আদ্রতা শুষে নিবে।
৩. ক্যামেরা পরিস্কার করার সময় প্রথমে ব্রাশ এবং এরপর ব্লোয়ার দিয়ে এর বহিরাঙ্গন পরিস্কার করুন, যাতে আলগা ধূলো পরিস্কার হয়।
৪. লেন্সও একই ভাবে পরিস্কার করুন। এরপর লেন্স খুলে লেন্স ক্লথ দিয়ে সামনের এবং পিছনের এলিমেন্ট দু’টো পরিস্কার করুন। লেন্সের সামনের এলিমেন্টে কোন হাতের ছাপ থাকলে লেন্স পেন দিয়ে সেটা পরিস্কার করতে পারেন।
৫. লেন্স খোলার পর বডির ভিতরে যে মিরর আছে সেটা লেন্স ক্লথ দিয়ে আলতো করে মুছে ফেলুন। চাপ দিবেন না, মিরর খুবই পাতলা।
৬. মিরর লকআপ করে ক্যামেরা বডি উল্টা করে ধরে (মাউন্ট নিচের দিকে, এলসিডি উপরের দিকে) ব্লোয়ার দিয়ে জোরে জোরে ব্লো করুন কয়েকবার। সেন্সরে আলগা ধূলো থাকলে ঝড়ে যাবে।
৭. লেন্স ক্লথ দিয়ে এলসিডি স্ক্রিন পরিস্কার করতে পারেন।

সেন্সরে কোন ময়লা যদি লেগে থাকে এবং ব্লোয়ার দিয়ে ব্লো করার পরও না যায়, তবে অভিজ্ঞ কারো সাহায্য নিন।

লেন্সে যদি ফাঙ্গাস পড়েই যায় তো কি করবেন – প্রতিদিন নিয়ম করে লেন্সগুলো রোদে দেন। এমনভাবে দিবেন যাতে রোদ প্রথম এলিমেন্ট থেকে শেষ এলিমেন্ট পর্যন্ত ভালমত যায়। প্রতিদিন ১৫/২০ মিনিট করে ৭-১০ দিন এভাবে রোদে দেন। এতে ফাঙ্গাসের বৃদ্ধি থেমে যাবে। বাংলাদেশে এটলিষ্ট কোথাও ক্লিন করাতে দিয়েন না। উল্টা অন্য প্রবলেম তৈরী করে দিবে।

GH 2nd Basic Photography Workshop 2016

Posted by Muktar Hossain on Wednesday, May 25, 2016

Grasshoppers has arranged 2nd Basic Photography Workshop. This workshop is specially for beginners, amateur and novice photographers to develop their skills in basics.

Workshop Program:
—————————
Date: 3rd June, 2016 Friday.
Time: 04.00 p.m to 08.00 p.m
Place: Hub Dhaka, Islam Plaza, 9th Floor, Plot No. 7,, Rd No. 3, Dhaka 1216

Those Who can join:
—————————-
This is open for all photographers and photo lovers. At first you need to complete registration process then pay registration fees through then you can join.

রুল অফ থাম্ব (ফোকাল লেন্থ বনাম শাটার স্পিড রুল)

রুল অফ থাম্ব বা ফোকাল লেন্থ বনাম শাটার স্পিড রুল ১/ফোকাল লেন্থ রুল বলে দিবে কতটুকু স্লো শাটার স্পিডে আপনি হান্ডহেল্ড ফটোগ্রাফিতে শার্প ফটো পেতে পারেন। হ্যান্ডহেল্ড ফটোগ্রাফিতে ঝাঁকিজনিত কারণ ও গতিময় সাবজেক্টের জন্য ছবি মোশন ব্লার হতে পারে। এজন্য রুল অব থাম্ব এ্যাপ্লাই করে এ ধরণের ঝামেলা দূর করতে পারেন।