Category Archives: Advance Photography

লাইটরুম ফর ফটোগ্রাফারস – ফারহান নাভিদ

ফটোগ্রাফিতে পোস্ট প্রোসেস সমান গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। আপনাদের জন্য আমি চেষ্টা করেছি এ্যাডব লাইটরুমটা সহজ করে আনার। টিওটোরিয়াল আকারে বিষয় গুলা ইউটিউবে আপ্লোড করা আছে। আশা করি আপনাদের জন্য পোস্ট প্রোসেসিং এখন আরো সহজ হয়ে আসবে।
#Happyclicking #happysharing

ইইউটিউব লিংক ঃ https://www.youtube.com/playlist?list=PL3PEj6ypyAduMBhajP63EEPNGtrzLNWfJ

সাবস্ক্রাইব লংক ঃ www.youtube.com/c/NavidFarhan

খুব সহজে ঘরে বসে বানিয়ে ফেলুন মোবাইলের জন্য ম্যাক্রো লেন্স

এখন বলবো কি করে ৭ টি মেথডে ম্যাক্রো লেন্স বানাবেন মোবাইলের জন্য….

 

•১.Door Viewer Lens : আধুনিক কালের দরজার চিপায় চাপায় একটা ছোট ছিদ্র থাকে যেখান থেকে বাহিরের মানুষকে দেখা যায়, রিং বাজলেই তাকাইয়া দেখে। এটা অনেক যায়গায় ব্যবহার করা হয়, যেখানে দরজা বা ঘর বাড়ির মেরামতের জিনিস পাওয়া যায় সেখান থেকে এটা সহজে ১০০/১৫০ টাকা দিয়ে কিনে নিতে পারেন।
•২।DVD Drive & Disposable Camera lens : পুরানো ক্যামার অথবা DVD থেকে অথবা সিডি থেকে সহজে লেন্স টা সংগ্রহ করে মোবাইলের ক্যামারার পিছনে ক্লিপ দিয়ে লাগিয়ে লেন্স তৈরি করতে পারেন…।
•৩।Water Drop : যাদের কিছুই নাই, তাদের বাড়ির আনাচে কানাচে খুজলেই এক ফোট পানি পেয়ে জাবেন LOL! আসলে পানি আপনি সিরিঞ্জ থেকে এক ফোটা মোবাইলের ক্যামারার উপরে দিয়ে ট্রাই করতে পারেন( আমি ট্রাই করছিলাম, বাট না বোঝে করার ফলে ক্যমারা টা লাস্টে ঝাপসা হয়ে গেলো, পরে খুলে পরিষ্কার করেছি আবার)
•৪: Reading Glasses Lens: দাদা দাদী নান নানীর পাওয়ারের চশমা টা খুঁজে বের করে লাগিয়ে দিন ক্যামারা সামনে রেজাল্ট ভালো পাবেন আমি ট্রাই করে দেখেছি এটা…..
•৫: Magnifying Lens: এটা ও সেই ৪ নাম্বারের মতই, চশমার দোকানে দৌড়ায়া গিয়ে এই গ্লাস কিনে আনতে হবে, তবে বেশি পাওয়ারের হলে বেশি ভালো রেজাল্ট পাবেন….!
•৬: লেজার লাইট: পোলাপানের খেলনার দোকান থিকা ৪০/৫০ টাকা দিয়ে কিনে লাইট টা ভেংগে ফেলুন সুন্দর ভাবে, ভিতরে একটা ছোট লেন্স পাবেন সেটাও ২ নাম্বারের মতন করে লাগিয়ে কাজ করুন…
•৭।দোরবীনঃ ভাইঙ্গা ফালান ভিতরে গ্লাস পাবেন সেটা ক্যামার উপরের কস্টিপ দিয়ে লাগিয়ে দিন কেল্লা ফত।

মোবাইল ফোনের ক্যামেরা দিয়ে সিলু্ইট ছবি

Silhouette (সিলুইট) বা সূর্যাস্ত এর সময় মোবাইল ফোন ক্যামেরা দিয়ে কিভাবে ছবি তুলবেন, সেটা আজ আপনাদের আমার স্বল্প জ্ঞান থেকে শেয়ার করবো:
১. এই ছবি তুলার জন্য সবচেয়ে ভালো সময় সূর্য ডোবার ৬০ মিনিট আগে থেকে বাকি সময় ।

আজকের লেন্সগল্প (৬) : পোকাপুকি ওরফে ম্যাক্রু লেন্স – কুতুব উদ্দীন

প্রথমে জানিয়ে রাখি এই গল্পটা আমি লিখি নাই। ম্যাক্রু যাদুকর কুতুব উদ্দীন ম্যাক্রো লেন্স নিয়ে এই গল্পটি লিখেছে। গ্রাসহপার্স এর অনেক মেম্বার অনুরোধ করেছিলেন, ম্যাক্রো লেন্স নিয়ে কিছু একটা লিখতে। আমি ম্যাক্রো লেন্স সম্পর্কে অজ্ঞ তাই আমি কুতুব উদ্দীনের সহযোগিতা চেয়েছিলাম। উনি আমাকে নিরাশ করেন নি। দারুন গল্প লেখে পাঠিয়ে দিয়েছেন। আমি উনাকে গল্পটা গুছিয়ে দিয়েছি তারপর উনার অনুমতি নিয়ে আমি গল্পটি নিজে আপলোড করলাম। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।

————————————————————————————————-
আজকের লেন্সগল্প (৬) : পোকাপুকি ওরফে ম্যাক্রু লেন্স – কুতুব উদ্দীন

একদিন অনলাইনে বসে বসে ছবি দেখতেছিলাম, একটা মাছির চোখ দেখে মুখ হা হয়ে গেলো, মাথা আউলাইয়া গেলো, ভাবতে লাগলাম হালায় এইডা তুলল ক্যামনে ! না, আমাকেও ম্যাক্রো করতে হবে। পুকাপোকিগ্রাফি করতে হবে।

১৮-৫৫ মি.মি কিট লেন্স হাতে নিয়া মাছি খুজতে লাগলাম্। রান্না ঘরে বউয়ে রান্দে, আমি এই ঘরে ওই ঘরে গিয়ে মাছি খুঁজি। আমার বউ আমার উল্টা পাল্টা কাজকারবারের ব্যাপারটা খেয়াল করলো। আমার বউ আমারে ঝারি দিয়া কইলো, “এদিক ওদিক এখানে ওখানে কি করো। এক জায়গাতে স্থির হয়ে বসে থাকো”। আমি মুচকি হাসি দিয়ে কহিলাম,“জ্বি মানে, একটা বদ মাছি ঢুকছে, ওইটারে একটু সাইজ দিতে ঢুকছি”।

একটা মাছি পেয়েও কিট লেন্স দিয়ে মাছির চোখতো দূরে থাক, মাছিটারেও কাছে টেনে আনতে পারলাম না। মেজাজটা খুব খারাপ হলো। এতো দাম দিয়ে ক্যামেরা কিনলাম হালার বলদা মাছিটারেও টাইনা কাছে আনতে পারলাম না। আমি হালার একটা বলদ। এই দুঃখ কই রাখি । মন খারাপ হলো অনেক।

Kutub Uddin Macro -3

পড়ার ঘরে এসে অনলাইনে ঘাঁটাঘাঁটি করলাম। বুঝতে পারলাম বেকুবতো আমার ক্যামেরা না, বেকুবতো হালার আমি। কিট লেন্স দিয়ে কি ম্যাক্রু হয়।

যাউকগা, ট্যাকটুকা নাই ম্যাক্রু লেন্স কিননের, তাই কিট লেন্সটারে দিয়া ম্যাক্রু তুলুম তাই ম্যাক্রু ফিল্টার কিনলাম।

ম্যাক্রু ফিল্টার দিয়া আরেকটা মাছিরে কাছে পেয়ে গেলাম। লগে লগে কিলিক। খুশীতে ডিসপ্লে দেইখ্যা চান্দি হট। সব কালাকুলা ছবি মাথামুথা কোনদি যে কি, বুঝনের নো ওয়ে। লাইটিং সেটআপ ভ্যাজাল হইতাছে।। লাইটতো পর্যাপ্ত পাচ্ছিলাম না। আবার অনলাইনে ঘাঁটাঘাঁটি করে দেখলাম এবং বুঝলাম আমাকে আবার ফকির হতে হবে মানে ম্যাক্রু ফ্ল্যাশও একটা কিনতে হবে। যাই হোক কিনলাম। আবার ছবি তুললাম, মাগার আবার নতুন সমস্যা কিমুন জানি ঘুলাঘুলা, নো ইস্পষ্ট, মাথা ঘুরাইলে যেমন দুনিয়াডা ঘুলা লাগে, হেরাম লাগে। পর্যাপ্ত শার্পনেস পাচ্ছিলাম না,
হঠাৎ দেখি ম্যাক্রুর প্রেমে পইড়া গেছি। ওরে প্রেম হালার মাথা নষ্ট কইরা
ঠিক করলাম ম্যাক্রু লেন্স কিনবো। টাকা জমানো শুরু করলাম।

একদিন ম্যাক্রু লেন্স কিনে নিলাম ১০০ এম এম এর এবং ঝাঁপাই পড়লাম ম্যাক্রুগ্রাফিতে। পোকাপুকা, ব্যাঙাবুঙা যাই পাইছি কোপাইয়া লাইছি।

যাই হোক আসল কথায় আসি, মেলা গল্প হইছে, দুষ্টুমী হইছে, এবার একটু সিরিয়াস টেকনিকাল আলাপ ছাড়ি, ম্যাক্রো লেন্স হলো, সেই লেন্স যেটা আপনি ব্যবহার করে একটা সাবজেক্টকে আপনার চোখের ঠিক সামনে এনে আপনি যতো বড় দেখবেন ততো বড় বা তার চেয়ে বড় এই লেন্স দেখাবে।

Kutub Uddin Macro-1

ম্যাক্রো ১:১ মেগ্নিফিকেশন থেকে শুরু হয়। এখন কথা হচ্ছে ১:১ মেগ্নিফিকেশন্টা কি ? ১:১ হচ্ছে লাইফ সাইজ। এখানে প্রথম ১ হচ্ছে, আপনার ক্যামেরার প্রজেক্টরে সাবজেক্ট এর সাইজ এবং অন্যটি হচ্ছে রিয়েল লাইফে সাবজেক্টের সাইজ। মনে করেন, একটা মাছি যদি ১ সেন্টিমিটার লম্বা হয় এবং আপনার লেন্স যদি সেটাকে সেন্সরে ১ সেন্টিমিটার প্রোজেক্ট করে তাহলে সেটি ১:১ মেগ্নিফিকেশন। আর যদি সেন্সরে সেটি .৫ প্রজেক্ট করে তাহলে বুঝতে হবে আপনার সাবজেক্ট প্রজেক্টার থেকে .৫ টাইমস বড়। তারমানে সেটিকে ১:১.৫ মেগ্নিফিকেশন বলে কিন্তু ১:১.৫ ম্যাক্রো নয়। এখন মনে করেন, মাছিটিকে আপনার ক্যামেরার প্রজেক্টরে ৫ সেন্টিমিটার দেখাচ্ছে তার মানে রিয়েল লাইফে মাছিটি ৫ টাইমস ছোট। আর সেটিকে ৫:১ মেগ্নিফিকেশন বলে্। সাধারন ম্যাক্রো লেন্সগুলা ১:১ থাকে। শুধু ক্যানন এর ৬৫ এম এম লেন্সটি ৫:১ মেগ্নিফিকেশন হয়। ১:১ মেগ্নিফিকেশন থেকে আপনাকে আরও বড় পেতে হলে আপনাকে ম্যাক্রো ফিল্টার বা এক্সটেনশন টিউব ব্যাবহার করতে হবে। আপনার ম্যাক্রো লেন্স এর সাথে ট্যামরন ৭০ এম এম – ৩০০ এম এম লেন্সকে ম্যাক্রো ম্যাক্রো লেন্স বলে চালাচ্ছে আসলে এটি ম্যাক্রো লেন্স না। কারন এটি ১:২ মেগ্নিফিকেশন যার মানে এটি সাবজেক্টকে নর্মাল থেকে ২ টাইমস ছোট দেখায়।

হে:হে: আজকেই নেমে পড়ুন ম্যাক্রুগ্রাফি ওরফে পোকাপুকিগ্রাফি । আপনার ম্যাক্রুগ্রাফির প্রতি শুভ কামনা।

Kutub Uddin Macro-2

(কুতুব উদ্দীন)

ফটোগ্রাফী লেকচার ৬: কম্পোজিশন এবং মুহুর্ত – ২ – মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান (শিক্ষক.কম)

আশা করি ভাল আছেন সবাই! কম্পোজিশন এবং মোমেন্ট নিয়ে আরোও কিছু আলোচনা থাকছে এই পর্বে।

প্যাটার্ন এবং রিদম (Pattern and Rhythm): বেশিরভাগ সফল ছবিতেই কযেকটি ব্যপার ঘুরে ফিরে আসে, যেগুলোকে ছবির মৌলিক উপাদানই বলা চলে। ফটোগ্রাফীতে ‘শিক্ষিত’ না হওয়ার কারণে অধিকাংশ দর্শকই সেই ব্যপারগুলোকে ঠিক বিশ্লেষন করতে পারেন না, কিন্তু ছবিটি তাদের কাছে ‘ভাল লাগে’… কেন ভাল লাগে, সেটা জিজ্ঞেস করলে তারা একটু বিভ্রান্ত বোধ করতেই পারেন। এই ধরণেরই একটা মৌলিক উপাদান হলো প্যাটার্ন এবং রিদম। এই দু’টো টার্ম কে আমি একসাথে উল্লেখ করছি, কারণ রিদম বা ছন্দ সৃষ্টি হয় প্যাটার্ন থেকেই।

ফটোগ্রাফী লেকচার – ৫: কম্পোজিশন এবং মুহূর্ত -১ – মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান (শিক্ষক.কম)

লম্বা বিরতি নেয়ার জন্যে প্র্রথমেই দুঃখ প্রকাশ করছি। পড়াশোনার চাপে সময় করে উঠতে পারিনি। এই লেকচার প্রকাশের পর আবার কতদিন ডুব দিতে হবে সেটাও বলতে পারছিনা, তবে চেষ্টা করব এই মাসে অন্ততঃ আরো একটি পর্ব প্রকাশ করার।

যে কোন ক্যামেরার সাহায্যে তুলুন প্যানোরামা ছবি!

ফটোগ্রাফীর প্রচন্ড শখ থেকেই আমার ক্যামেরা কেনা। আর ক্যামেরা কিনতে যাবার সময় প্রচন্ড কম মাত্রায় বাজেটের ফলে যা হল তা হল এমন একটা ডিএসএলআর কিনলাম, যাতে কোন প্যানোরামা নেই। তাতে কি? একটু খুজতেই পেয়ে গেলাম প্যনোরামার জন্য দারুন এক সিষ্টেম। আর সেই সিষ্টেমটাই শেয়ার করব সবার সাথে। যদিও নিজের ব্লগে আগেই এটির ইংরেজী একটি টিউটোরিয়াল দিয়েছিলাম, তবে সেটা ইংরেজী হবার কারনে আজকে আবার টেকব্লগের সকল পাঠকদের জন্য তা আবার বাংলা করে দিলাম।

ভালো ছবি তোলার সহজ কৌশল-২ – অনীক ইসলাম জাকী

কি কি কাজে আপনি পারদর্শী নন তার একটি তালিকা বানিয়ে নিন। সেই কাজগুলো একে এক রপ্ত করার চেষ্টা করুন। একটিতে উন্নতি করলে পরের কাজটি প্রাকটিস করুন। কোন একটি ছবি ভালো না হলে সেটা ত্যাগ করা যাবে না। আরও সময় দিতে হবে ছবিটার পেছনে। ঘুরে ফিরে আরও ভালো ছবি তোলার চেষ্টা করতে হবে। দ্রুততার সাথে ছবি না তুলে একটু সময় নিয়ে কয়েকবার ছবি তোললে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। নিজের ভুলগুলো থেকে সবচেয়ে তাড়াতাড়ি শিক্ষা নেয়া যায়। তাই বারবার ছবি তুলে ছবির যে অংশ ভাল লাগছে না তা নিজে নিজে যাচাই করে আবার ছবি তুলতে তুলতে একদিন ভাল ফটোগ্রাফার হয়ে যাবেন। আসল কথা হলো,ভাল ফটোগ্রাফার হতে সময় লাগে । কিছুদিন ছবি তুলে ভাল কিছু না করতে পেরে ছেড়ে দিলে কি চলবে? ধৈর্য্য সহকারে নিয়মিত অনুশীলনই সফলতার হাতিয়ার।

 

হ্যাপি ক্লিকিং………

২০টি ট্রাভেল ফটোগ্রাফী টিপস, যা জেনে রাখা উচিত!

শুরুর কথা

ফটোগ্রাফীর অন্যতম একটা সাব-ক্যাটাগরী হচ্ছে ট্রাভেল/ভ্রমণ ফটোগ্রাফী। সাধারণত ট্রাভেল ফটোগ্রাফী বলতে কোন একটি এলাকায়, যেখানে একজন ফটোগ্রাফার ঘুরতে যাচ্ছেন/গিয়েছেন, সেখানের দৃশ্য, মানুষ, সমাজ, পরিবেশ, ঐতিহ্য, ইতিহাস ইত্যাদির ছবিতোলা। Photographic Societo of America ভ্রমণ ছবির যেই সংজ্ঞা দিয়েছে তার বাংলা করলে দাড়ায়, ভ্রমণ ছবি হচ্ছে সেই ছবি যা সময় এবং স্থানের অনুভুতি প্রকাশ করে, চারিপাশের ছবি, এখানের মানুষ, ঐ স্থানের আপন পরিবেশে তার সংস্কৃতি প্রকাশ এবং যার কোন ভৌগলিক সীমা রেখা থাকে না।

একজন ফটোগ্রাফার যখন কোন স্থান ভ্রমণ করে, তখন তার মাথায় ঐ স্থানের সব থেকে সুন্দর দৃশ্য, মানুষের অনুভুতি এবং বাকি সব কিছু ক্যামেরা বন্দি করার নেশা থাকে। আর সেই নেশাকে সত্য রূপে প্রকাশ করতে হলে দরকার হয় তার কিছু প্রস্তুতি, আর আজকের টিপস গুলি সেই সব বিষয় মাথায় রেখেই করা।

ক্লোজ-আপ ছবিকে আকর্ষণীয় করে তোলার কৌশল- কুতুবউদ্দীন

আমরা মাজে মাজে ক্লোজ-আপ ছবি তুলে হতাশ হই যখন দেখি ছবিটি আকর্ষণীয় হয় নি । কোন কোন সময় আমরা  কিছু ছবি দেখে আশ্চর্য হই, কিভাবে তুলেছে ভেবে ঘুম আসে না । কিছু  কৌশল অনুসরন করে আপনি আপনার ক্লোজ- আপ বা ম্যাক্রো ছবিকে ওদের মতো আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন । আজ সেই কৌশল গুলা নিয়ে কিছু আলোচনা করবো ।